ভ্রুম
অক্ষিপটে কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়
ইট পাথরের চার দেয়ালের এই ঘরটাকে একটা প্রাগৈতিহাসিক নড়বড়ে দোতালা বাড়ি মনে হয়
আঁচিলে উত্তরের হাওয়ায় দোলে গৃহকর্ত্রীর জলরঙা শাড়ি
প্রশস্ত রোয়াক বাড়ী
পরিচ্ছন্ন একটা রন্ধনশালা
শিমুল তলায় রান্নাবাটি পুতুল খেলার ঘর
তুলসীতলায় মাটির প্রদীপ
শানবাঁধানো সবুজ জলের ঘাট
হিজলতলায় কানাঁকুয়োর অদলবদল ডাক
ধবধবে সাদা সিথাঁন
মায়া মায়া এক চিরচেনা মুখের অবয়ব
যেতে যেতে হাওয়ায় মিলায়
চোখের তারায় অব্যক্ত দৃশ্যপট
তৃষ্ণার্ত ঠোঁটের অস্ফুট মায়াডাক
কপালের ভাজে প্রখর রোদের তাপ
উষ্ণতা কেবলই ছুঁতে চায় সেই শ্যামল শীতল হাত
তীব্র জ্বরের মরশুমে
পুড়ে যায় শরীর
পুড়ে যায় অভুক্ত হৃদয়
পুড়ে যায় সমস্ত দিনলিপি
অক্ষিপটে কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়
কেটে গেলে ভ্রুম
ইট পাথরের একটা চার দেয়াল জেগে রয়!!
(তেসরা মার্চ তেইশ)