ক্ষিদের জ্বালায় পান্তা ফুরোয়
ভিক্ষুক ছেলেটার পাত্র খালি,
তাই জুড়ায়নি ক্ষিদের জালা -
বিষণ্ণতায় ভরেছে মনের আকাশ।
বয়স সবে আট পেরিয়েছে,
পরনে জোটেনি যে কিছু -
হার হিম করা শীতে জুবুথুবু।
সারাদিনটা এভাবেই যে কাটে,
বাবুর যে গভীর অসুখ -
মা বলেছিল,খোকা ওষুধ আনিস।
প্রশ্ন করে ছেলেটি, ডাক্তারবাবু?
আমার বাবুর কি হয়েছে -
এই দেখোনা,ওষুধের পয়সা কতো।
সাঁঝবেলায় ছেলে বাড়ি ফিরে,
মাকে বলে বাবুর ওষুধ সবএনেছি-
আর যাবনা থালা হাতে।
মা, মা'গো ওঠোনা, কথা বলো,
রাগ করেছো,বাবুর মত তুমিও চুপ-
করলাম আড়ি তোমার সাথে।
সুভাষ ঘরে ফেরে নাই,
অভাবী তাই ভিক্ষুক ছেলেটা -
ফিরলে হয়ত মিলতো খাবার ।
তেইশের জন্মদিনে,
কত নেতাজি রাখবে ভাষণ -
থাকবে অভাব,আসবে স্বাধীনতা।