দিল্লী চলো
কী কাজ জীবনে
জীবনে জীবন ঢালি।
তবু রুদ্ধ কপাট খোলে ---
প্রাণের আগ্নেয় ঊষা, অসংখ্য বুকের মাঝে।
যেখানে প্রেমের মুক্তিসূর্য, জঠরের আগুনে পুড়তে পুড়তে
আসমুদ্র হিমাচলের ধমনীতে ছুটে যায় ---
আর্তমুক, আর্তউন্মুখ, বজ্রমানুষের অন্তর্ঘ্রানে।
সেখানে, এই পাখীতীর্থদিনে, বালক বালিকার হাত
রক্তাক্ত শিলালিপি, কাঁটাবধির পান্ডুলিপি খোলে।
খোলেঃ অমৃতের প্লাবনে বিষের রেখা,
রক্তমাংসের শরীরকে কেটে দু-ভাগ..
আমাদের প্রাণ-পরিচিতি (!), মায়ের চোখের জলের ধারা!
যদিও মাটির ঘ্রাণে পুড়ে আমাদের শরীর,
তোমাদের শুভেচ্ছা, আর নিষেধের বেড়াঘরি -- , তবু,' শকুনিরা খামচে ধরেছে 'স্বাধীনতার পতাকা।
নষ্ট ভ্রুণের মতো চিৎকার করে
দ্রোণাচার্যের নিমগ্ন পাঠ, নিষাদের নিসর্গসভায়।
ফিন্ কি দিয়ে ওঠে মানুষের কবিতা,
ক্ষমাহীন ক্ষমাসুন্দর শব্দ শরবিদ্যা।
তবুও মৌনমূর্তি গড়া যদি হয়
প্রতিবাদের দ্বিগুন ভাষা,
তবে নীলকন্ঠ ভারতের প্রাণ ---
প্রাণের পরাগ পাপড়িতে জ্বলে ওঠে --
গিরগিটি দুনিয়া ভেঙ্গে ফেলার
' দিল্লী চলো ' , ' দিল্লী চলো' র
রক্ত রৌদ্রের স্নান।