জহর
কাঁদছে আকাশ, কাঁদছে পাতাল, কাঁদছে পৃথিবী
চিতোরগড়ে হাজারো নারী হবে আজ সতী।
রাজা গিয়েছে যুদ্ধে বাঁচাতে রাজ্যের মান
রাণী করছে আত্মদাহ বাঁচাতে নিজের সন্মান।
কাটছে ধর, কাটছে দেহ, চলছে তলোয়ার
রাক্ষসের দল ছুটে আসছে "ওই শোনো হুঙ্কার।"
যুদ্ধের মোড় ঘুরেছে হতে পারে পরাজয়
সতীত্ব রক্ষায় মরতে ওরা করে নাকো ভয়।
রাজা লিখলো শেষ পত্র মহারাণীর সনে
"দাও রাণী অন্তিম আহুতি মা ভবানীর নামে"।
আগুন জ্বালো ,ঘি ঢালো,দ্বার দাও দূর্গে
লাজ বাঁচাতে এবার ,স্থান নেব অগ্নিগর্ভে।
যে দুর্গ ভরে থাকতো উৎসব সমারোহে
সেই দুর্গের দেওয়াল ফাটছে সতীত্বের চিৎকারে।
পশ্চিমে জ্বলেছে আগুন , বীরাঙ্গনাদের হাতে
খিলজী,শাহ্,আকবর কেঁপেছে তার উত্তাপে।
সাহসীকতার প্রতীক ওই হাজারো রাজপুতানী
রাজমাতা কর্ণাবতী, রাণী ফুলকাওয়ার ,ও পদ্মিনী।
ওরাই সেই বীর নারী ওরাই বীরাঙ্গনা
জয় কেশরী, জয় ভবানী,জয় রাজপুতানা।।