অগ্রদূত
হেমন্তিকার আঁচলে বিকেলের প্রলেপ
ম্লান সূর্য অস্তাচলে।
মেঠো সুর তোলা রাখাল ছেলে বাঁশি সামলে গোধূলি বেলা হাঁটে আলপথে।
গৃহস্থ উঠোনে ধানী রঙের আভা
ভাতের গন্ধে ঘরে ফেরে চই চই হাঁস
তখন ঘর কন্নার পাঠে নিমগ্ন কিশোরী
সন্ধ্যা নামে দিন-রাতের মিলনবাসরে
তুলসী তলার প্রদীপ আলোয়
গৃহবধূটির উজ্জ্বল মায়াবী মুখ
সূচনা করে নিভৃত গৃহকোণ, নন্দনকানন সুখ।
রাসের মেলায় আলোর আভাস
নাচবে মেলা রাইকিশোরী
বাঁশবাগানে লঘুচালে কলঙ্কিনী চাঁদ হাঁটে।
বিরহকাতর ধূসর হেমন্ত
ঘাসের সংসার কুয়াশাসিক্ত
তবু হেমন্ত আসুক, বসন্তের অগ্রদূত হয়ে
আসুক তীব্র ভাবে।।