চিঠি দিও
চিঠি দিও,
তোমার না বলা কথাগুলো লিখে—
হলদে খামে কিংবা পাখির পায়ে বেঁধে,
পাঠিয়ে দিও; আমার মনের কোনো এক দিকে।
চিঠি দিও,
শত যান্ত্রিক বাঁধা উপেক্ষা করে,
স্মার্টফোনে কথা কিছুদিন বা নাই হোক!
তোমার হাতের স্পর্শে উজ্জ্বল হোক—সেই চিঠিখানা।
চিঠি দিও,
তোমার রোজ ভালোবাসার অভ্যাসে,
শত ব্যস্ততার ফাঁকে; আমি সেই চিঠি পড়ে নেবো,
যতই জোৎস্না ভর্তি হয়ে চাঁদনী রাত আসুক—
কিংবা বৃষ্টি হয়ে ভিজুক সেই চিঠিখানা!
চিঠি দিও,
তোমার মন খারাপের দিনে,
না কোনো আন্দোলনে,
আকাশের ঠিকানায় লিখে কিংবা মনের সকল অভিযোগ জানিয়ে দিও,
তবুও চিঠি দিও!
তোমাকেই শুধু লিখে দিও।
চিঠি দিও
ঐ যৌবনে ফিরে গিয়ে নয়,
মনের কথা লিখে দিও—
এই যুগ যেন স্নিগ্ধ হয়।
চিঠি দিও,
তোমার না বলা কথাগুলো লিখে—
হলদে খামে কিংবা পাখির পায়ে বেঁধে,
পাঠিয়ে দিও; আমার মনের কোনো এক দিকে।
চিঠি দিও,
শত যান্ত্রিক বাঁধা উপেক্ষা করে,
স্মার্টফোনে কথা কিছুদিন বা নাই হোক!
তোমার হাতের স্পর্শে উজ্জ্বল হোক—সেই চিঠিখানা।
চিঠি দিও,
তোমার রোজ ভালোবাসার অভ্যাসে,
শত ব্যস্ততার ফাঁকে; আমি সেই চিঠি পড়ে নেবো,
যতই জোৎস্না ভর্তি হয়ে চাঁদনী রাত আসুক—
কিংবা বৃষ্টি হয়ে ভিজুক সেই চিঠিখানা!
চিঠি দিও,
তোমার মন খারাপের দিনে,
না কোনো আন্দোলনে,
আকাশের ঠিকানায় লিখে কিংবা মনের সকল অভিযোগ জানিয়ে দিও,
তবুও চিঠি দিও!
তোমাকেই শুধু লিখে দিও।
চিঠি দিও
ঐ যৌবনে ফিরে গিয়ে নয়,
মনের কথা লিখে দিও—
এই যুগ যেন স্নিগ্ধ হয়।