প্রথা বিলুপ্তির পরের প্রথা
ক্রীতদাস পিতার নয়নে কেউ পুঁতে ছিলো হিরে,
আভিজাত্যের আশায় রোজ সে চোখ খনন করছি...
অনেক বিপ্লব বয়ে গেছে কাগজের বুক চিরে
আমরা তবু খনির মজুর জন্ম দিচ্ছি অভ্যাসের আঁতুড়ঘরে।
ভুলে যাচ্ছি কে কার জনক!
চোখের সুরঙ্গ ধরে খুঁজছি ভালো থাকার সকল শর্ত
খুঁড়ে চলছি পুঁজির গোপন গর্ত!
রূপকথার রঙিন আদর ভুলিয়ে দিচ্ছে সমাজ
কথার রূপে আমরা হারাচ্ছি কণ্ঠের নির্মল স্বাধীনতা
পুত্রের চোখ ফসকে পালাচ্ছে পিতার কোলাজ
প্রতিদিন ভুলে যাচ্ছি পূর্বের পরাধীনতা।
কেউ বলেনি হিরায় বিষ থাকে,
কখনো কেউ প্রশ্ন করেনি, কে চড়ালো তার মূল্য?
খনি ভেবে খুঁড়ে চলছো যাকে
সে যে তোমার-ই পিতা,তুমি যে তারই সমতুল্য।
পাথর গড়িয়েছে অনেক
না দেখে মায়ের মুখ,দেখছি নয়া সাম্রাজ্যের ঘোমটা
নিজেই বিক্রি করে নিজের মাথা
আমরাই টিকিয়ে রাখছি দাস প্রথা— প্রথা বিলুপ্তির পরে।