শার্দূলী হবো এবার
এই মেয়ে তুই আবার এখানে?
তোর চিৎকারে আজও শিহরণ জাগে গায়ে,
প্রতিটি ক্ষত চিহ্ন জানান দেয়, তোরা শুধু ভোগের বস্তু । চোখের তাজা রক্ত বলে
মানুষ রূপী হায়নাদের বর্বরতার কথা।
তোর যোনী ভরা আঠালো সাদা রস বলে
হিংস্র শার্দূলদের যৌন ক্ষুধার বিভৎসতা।
তবুও তুই এখানে? আবারও এসেছিস মেয়ের রূপে।
যেদিন শেষ বিদায় জানালাম,বার বার বলেছি "আর কখনো আসবি এখানে।" তবুও!
বীভৎস দাবানলের মতো জ্বলতে জ্বলতে
মেয়েটি এগিয়ে চললো আমার চোখের সামনে।
খোলা চুল,চোখে আগুন, হাতে তীক্ষ্ণ নখ
পায়ে রক্ত, কথা শুনে খানিক দাঁড়ালো সমুখে,
আমি নির্বাক।
চিৎকার করে বলে উঠলো
অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি কখনো
আজও না,তাই এসেছি এবার রণরঙ্গিনী হয়ে
প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করার অঙ্গীকারে
দেবীতে বিশ্বাস নয়,এবার খড়গ তুলবো নিজ হাতে।
প্রতিটি হিংস্র দূর্বিত্তের মুন্ডশ্ছেদে হবো ক্ষান্ত,
মিথ্যার বুকচিরে সত্যকে স্থাপনে,
অন্যায়ের মুখোমুখি প্রথম প্রতিবাদে
আমাকেই পাবে সবার আগে।
হাজার তিলোত্তমার মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে এসেছি আবার।
ঐ যে দেখছো অন্যায়ের প্রতিবাদে নারী পুরুষ নির্বিশেষে, রয়েছে রাজপথে
তাদের নিরাপত্তা দিতে আমি এসেছি রণ সাজে।
এবার যুদ্ধ হবে যুদ্ধ।
আপোষহীন যুদ্ধ। জিততে হবে আমাকে।
হবো শার্দূলী
অধিকার আর নিরাপত্তার দায় নিজের,
প্রতিষ্ঠা করেই আমি হাঁটতে থাকবো পৃথিবীর পথে
নতুন পৃথিবী,যেখানে শার্দূলরা ভয়ে কাঁপতে থাকবে
তীক্ষ্ণ নখের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হবে যৌন ক্ষুধা।
বুঝবে সেদিন বুঝবে
মেয়েরা ভোগ্য নয়,অধিকার আর নিরাপত্তা আদায়ে
ওরা যুদ্ধ ও করতে জানে।
ত্রিশূল,বজ্র,গদা, খড়গ ওরাও তুলতে জানে
রাত দিন ওদের দখলে নিতে জানে।