Oct 12, 2025

সঞ্জয় পাল

শুভ শারদীয়া 

বছরভর অপেক্ষার পর বাজলো আগমনীর সুর, 
দশভূজা মা ফিরে এলো করতে সবার দুঃখ দূর।
কাশফুল হাওয়ায় দোলে শিউলি ছড়ায় মিষ্টি গন্ধ,
কুয়াশাচ্ছন্ন স্নিগ্ধ সকাল আনে যে উৎসবের ছন্দ।

কেনাকাটায় ব্যস্ত সবাই আট হোক কিংবা আশি,
শারদোৎসব সবার মুখে ফোটায় আনন্দের হাসি।
বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ উৎসবপ্রিয় শারদীয়া দুর্গাপূজা, 
চিন্ময়ী দেবী মৃন্ময়ী রূপে সেজে উঠছেন দশভূজা।

চারিদিকে আলোর মেলা গান বাজছে ঐ প্যান্ডেলে,
পুরোহিত আরতি করছেন ধূপ ধুনো আর ক্যান্ডেলে।
দেবীর বোধন হবে এবার এলেন ঊমা তাঁর বাড়িতে, 
মাকে বরণ করতে মেয়েরা যাচ্ছে লালপেড়ে শারীতে।

শাঁখ,কাসর ও উলুধ্বনিতে পূজো মন্ডপ হলো মুখরিত,
অশুভ শক্তির বিনাশকল্পে দূর্গতিনাশিনী মা আবির্ভূত।
রাতজেগে হবে পূজো দেখা নতুন কাপড় গায়ে চাপিয়ে,
ঘোরাঘুরি করে ক্ষিদে পেলে ফুচকা স্টলে পরো ঝাঁপিয়ে।

অষ্টমীতে অঞ্জলী দিতে যাই দেবী দূর্গতিনাশিনীর সন্মুখে,
মন্ত্রোচ্চারনে আরাধনা করে তৃপ্তির আভা সকলের মুখে।
ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ নেই এই আনন্দধারা সবার জন্য,
দেবীর আরাধনায় ব্রতী হয়ে জীবনটাকে করে তোল ধন্য।

এবারের পূজো কাটুক ভালো হাত রেখে একে অন্যের হাতে,
মায়ের আশির্বাদ বর্ষিত হোক ভালো থেকো সবে একসাথে।
মা দূর্গার কাছে করি বন্দনা আসুরিক শক্তি বিনাশ হোক,
কেটে যাক সব দুঃখ ও গ্লানি মর্ত্যের দূর্গারা ভুলুক শোক।

পাঁচটা দিন সকলের জন্যই মহোৎসবের আমেজে ঘেরা,
এরপরেই মনখারাপের ক্ষণ দশমীতেই যে মায়ের ফেরা।
চোখের জলে বিদায় দেবো ঢাকে বাজে বিসর্জনের সুর, 
আবার এসো মা ফিরে তুমি করতে আমাদের দুঃখ দূর।